Posts

দয়াকরে পুরোটা পড়ে যোগাযোগ করবেন: পর্তুগাল ওয়ার্ক পার্মিট D1 ভিসা টোটাল প্রসেসিং (A to Z)


*আমাদের ভিসা রেসিও ১০০%

-শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নাই।
- কাজের ধরণঃ ১. এগ্রিকালচার (অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই)
২. কনস্ট্রাকশন (অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নাই)
-বেতনঃ বেসিক ৮৭০ ইউরো / মাসিক (অভার টাইমে ডাবল পে করবে কোম্পানি)
-ডিউটি ঃ সপ্তাহে পাঁচ/ ৫ দিন, ৮ ঘন্টা করে।( প্রতি সপ্তাহে ৪০/ চল্লিশ ঘন্টা)
-আমাদের প্রসেসিং এর ধাপ এবং খরচঃ
  আমাদের সার্ভিস চার্জঃ ২২ লাখ টাকা
*দয়া করে আবেগের বশীভূত হয়ে কেউ ফাইল দিবেন না। আপনার কাছে যদি পর্যাপ্ত অর্থ থাকে তবেই প্রসেসিং করবেন।

ভিসা প্রসেসিং এর ধাপ সমূহঃ

প্রথম ধাপের পেমেন্টঃ ফাইল ওপেন করার সময়  দুই লাখ টাকা জমা দিতে হবে। এই টাকা জয়েন্ট একাউন্টে জামানত হিসেবে থাকবে। জমা দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পার্মিট আসবে।
*আমাদের রিসেন্ট একটা ওয়ার্ক পার্মিট এর কপি দেওয়া হলো।


*বিঃদ্রঃ

  ১. ৬ মাসের এগ্রিমেন্ট হবে। 
 ২.আপনি সকল অরজিনাল ডকুমেন্টস ইন্ডিয়াতে ডকুমেন্টস সাবমিশনের সময় পেয়ে যাবেন।
৪.আপনি চাইলে আমাদের মাধ্যমে ইন্ডিয়ার ভিসা প্রসেস করতে পারেন তবে, এর জন্য আলাদা সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য এবং এই খরচ আমাদের মূল খরচের বাইরে।
-পার্মিট আসার পর যদি আপনার ইন্ডিয়ার ভিসা রেডি থাকে তাহলে, ১.৫ মাসের মধ্যে আপনি পর্তুগাল এর ভিএফএস /এম্বাসীর এপোয়েন্টমেন্ট পেয়ে যাবেন। এর পরের কাজ হলো ইন্ডিয়াতে যাওয়া এবং এম্বাসীতে ফাইল জমা দেওয়া। ২ দিন থাকতে হবে আপনাকে ইন্ডিয়াতে। ইন্ডিয়ার ভিসা, পরিবহন,থাকা,খাওয়া সব আপনাকে বহন করতে হবে।
-এছাড়াও ইন্ডিয়াতে যাওয়ার পর আপনার কিছু খরচ আছে যা আমাদের প্যাকেজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। সেগুলো হলোঃ
১. পর্তুগাল এম্বাসী ফি+ ভি এফ এস ফি+ ট্রাভেল ইন্সুরেন্সঃ ২৭,৭০০ রুপী
২.পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের এটাস্টেশন ফিঃ ২৩০০ রুপী
*ইন্ডিয়ার ভিসা+ পরিবহন+ থাকা+ অন্যান্য ফি সব কিছু মিলে ১ লাখ টাকা বাজেট রাখতে পারেন।
-ফাইল জমা দিয়ে আপনি বাংলাদেশে চলে আসবেন। এম্বাসী আপনার পাসপোর্ট এবং অন্যান্য সকল ডকুমেন্টস  স্ক্যান করে ডাটা রেখে দিবে, তাই পাসপোর্ট এম্বাসীতে জমা দিয়ে অপেক্ষা করা লাগে না,।
-ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে আসার পর আপনার পাসপোর্ট টা আমাদের কাছে অবশ্যই জমা দিতে হবে।
-ফাইল জমা দেওয়ার ২৫ দিনের মধ্যে আমাদের কাছে ভিসা এপ্রুভাল মেইল চলে আসবে। এখানে ১৮ ই জুন ২০২৫ এ আমাদের ৭ টা ফাইলের একসাথে এপ্রুভাল আসা একটা মেইলের স্ক্রিনশট যুক্ত করা হলোঃ
-ভিসা এপ্রুভাল মেইল আসলে আমরা আপনার পাসপোর্ট স্ট্যাম্পিং এর জন্য আবার ইন্ডিয়াতে পাঠাবো। ভিসা স্ট্যাম্পিং হয়ে আসতে সময় লাগবে মোট ৪০/চল্লিশ দিন।
 সাবমিশনের পর ভিএফএস থেকে একটা স্লিপ দেওয়া হয়। এই স্লিপ জমা দিয়েই স্টাম্পিং এর  আবেদন করতে হয়।  আমাদের বিগত কিছু ক্লাইন্টের স্লীপ নিচে দেওয়া হলঃ



-২য় ধাপের পেমেন্টঃআপনার স্ট্যাম্পিং হয়ে যাওয়ার পর, অফিসে এসে আমাদের বাকি ২০ লাখ টাকা পেমেন্ট করতে হবে (৭ দিনের মধ্যে) এবং পাসপোর্ট সহ ভিসা কপি বুজে নিতে হবে। 
-আমাদের ফুল পেমেন্ট এর পর আপনার প্লেনের টিকিট এবং ম্যানপাওয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করা হবে।

আমাদের একজন ক্লাইন্টের রিসেন্ট ভিসার কপি এখানে সংযুক্ত করা হলোঃ








আমাদের প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত হলোঃ
১. ওয়ার্কপার্মিট
২. ভিসা
৩.এয়ার টিকিট
যেসব আমাদের প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়ঃ
১.ইন্ডিয়ার ভিসা
২.ইন্ডিয়া যাওয়ার পর পরিবহন থেকে যাবতীয় খরচ।
৩. পর্তুগালের এম্বাসী ফি
৪.পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের এটাস্টেশন ফি
৫.ম্যানপাওয়ার
*দয়া করে আবেগের বশীভূত হয়ে কেউ ফাইল দিবেন না। আপনার কাছে যদি পর্যাপ্ত অর্থ থাকে তবেই প্রসেসিং করবেন।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করার ঠিকানাঃ
ভিসা ভার্স,
(৫ম তলা),২৬/১,অতীশ দীপংকর রোড, 
সবুজবাগ ঢাকা। 
ফোন নাম্বার
+880 1858-974122
  

Messenger Call on Messenger
Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.